----------------------সামাজিক গ্রহণ------------------
----------------------সামাজিক গ্রহণ-------------------
🙏🙏🙏🙏অনুগ্রহ করে একটু পরুন🙏🙏🙏🙏
আমরা যে পরিস্থিতির মধ্যে বেঁচে থাকার চেষ্টা করছি তা অতি ভয়ানক ও কঠিন। আজ আমাদের দেশে অর্থনৈতিক অবস্থা খুবই শোচনীয়। মানুষ নিজের নূন্যতম খাওয়া পরা টুকু জোগাড় করতে হিমশিম খাচ্ছে। এদিকে দেশ ও রাজ্যের উভয় সরকারই নিজেদের ক্ষমতা ধরে রাখতে অতি ব্যস্ত। কেন্দ্রে সরকার গড়ার আগে যারা প্রতিশ্রুতির বন্যা বইয়ে দিয়েছিল কর্ম সংস্থানের ও দ্রব্য মূল্য হ্রাস তারা আজ কোথায়? পেট্রল আজ ১০৮, ডিজেল ১০০ পার, রান্নার গ্যাস ৯৫০, ভোজ্য তেল ২০০ , এর পরও বলবেন বিকাশ চলছে? ধর্মীয় সুরসুরি দিয়ে মানুষ কে দিক ভ্রান্ত করে আর কত দিন? মহামারীর ছুতোয় বিদ্রোহী কন্ঠ রোধ আর কত দিন? আর এক দিকে আমাদের রাজ্য এখানে সবার সমালোচনা করব কিন্তু নিজেও ঠিক পথে চলব না, রাজ্যের সরকার ভোট করাতে পারে, উৎসব করাতে পারে মহামারীর মধ্যে তখন কিছু সমস্যা নেই , মদের দোকান খোলার সময় বাড়াতে পারে কিন্তু স্কুল কলেজ খোলা যাবেনা , কারন ? কারন "যে যত বেশি জানে সে তত কম মানে" রাজ্য সরকারের দ্রব্য মূল্য বৃদ্ধির জন্য নাটক করে চিৎকার করাটাই সার, লোক দেখানো সাধারনের টাকায় দান খয়রাত চলে নতুন কর্ম সংস্থান হয় না। এ যেন এক সামাজিক গ্রহন চলছে, তবে এই গ্রহন পৌরাণিক কাহিনীর গ্রহণের থেকেও ভয়ানক কারন পৌরাণিক কাহিনীর গ্রহণে রাহু সূর্য বা চন্দ্র কে গ্রাস করলেও তার ধর না থাকায় সূর্য বা চন্দ্রের মুক্তি হত। কিন্তু এখানে!! এখানে তো রাহু রূপে যারা আছে তারা তো ধর সমেত একেবারে গ্রাস করে নেবে এখানেই ভয়ের বিষয় বস্তুত এই গ্রহণ শুরু হয়েগেছে, রাজ দন্ড অযোগ্যের হাতে মানবিকতা মূল্য হীন, ধীরে ধীরে গ্রহণের ছায়া সকল স্তরের মানুষের চেতনা,জ্ঞান,বিবেক, শিক্ষাকে যেন গ্রাস করছে, আর এই গ্রহণ কে ত্বরান্বিত করছে অর্থনৈতিক চাপ, যা মানুষকে তার সকল চেতনার থেকে সরিয়ে রাখছে।এই ধর যুক্ত রাহুর মুন্ডু ছেদ করা অতি আবশ্যক আর এই কাজ করতে পারে এক মাত্র যুব সমাজ। তাই বন্ধু সকলে মিলে হও আগুয়ান সমাজ কে গ্রহণ মুক্ত করতে। মানব জাতির স্বার্থে সমাজরূপী সূর্যের গ্রহণ মুক্তির খুব প্রয়োজন। বন্ধুরা এখনই সময় সকলে একত্রিত হয়ে ভবিষ্যতের জন্য এই লড়াই আমাদের লড়াতেই হবে। জয় হিন্দ, বন্দেমাতরম 🙏🙏🙏🙏🙏
Comments
Post a Comment